পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কুলটিয়া বালিকা বিদ্যালয়

কুলটিয়া বালিকা বিদ্যালয়  বিদ্যালয়ের সূচনা ও ক্রমবিকাশ (একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার, তাহলো--- এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ যখন শুরু হয়, তখন নমো অধ্যুষিত এই বিস্তীর্ন এলাকার মানুষের মধ্যে কোন স্বাক্ষর ব্যক্তি ছিলেন না বললেই চলে। হয়তো লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে ১০/২০ জন মানুষ ছিলেন, যারা শুধু নিজের নামটাই লিখতে পারেন। আর এই এলাকার মানুষের মধ্যে আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিও ছিলেন না, যিনি প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রয়োজনে কিছুটা আর্থিক ভার বহন করতে পারেন। অজপাড়াগাঁয়ের এইসব মানুষেরা সমবেতভাবে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন)  ১৯১৮ সালে মশিয়াহাটী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর , অঞ্চলের শিশু - কিশাের ছাত্ররা বিদ্যালয়ে যাওয়া শুরু করে । সকালবেলায় চান করে , মাথায় চিরুনি দিয়ে , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জামা - প্যান্ট পরে দল বেঁধে স্কুলের দিকে যাত্রা--- এলাকায় এই এক নতুন দৃশ্যের সূচনা হয় ১৯১৮ সাল থেকে । এই নতুন সূর্যের আলােকরশ্মি , গােটা সমাজকে রঞ্জিত করে । বাড়ির শিশু - কিশাের মেয়েরাও এই সুন্দর জীবনের আহ্বান শুনতে পায় এবং বিদ্যাশিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের টান অনুভব করে । তারাও স্কুলে যেতে চায় ।...

ভদ্রলোকশ্রেণী...৩

                     নবম অধ্যায়           বাঙলার প্রথম মুসলিম মন্ত্রিসভা  ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের আগে কৃষক প্রজা পার্টি এবং কংগ্রেসের মধ্যে এক ধরনের সমঝােতা হয়েছিল ঠিকই ; কিন্তু বাঙলা প্রাদেশিক সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে কোয়ালিশন সরকার হলাে না । এই কোয়ালিশন না হবার অন্যতম বড় কারণ হলাে — কংগ্রেস জমিদারদের স্বার্থ দেখতে বদ্ধপরিকর এবং উচ্চবর্ণহিন্দু ভদ্রলােকদের স্বার্থের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ । অন্যদিকে কৃষক প্রজা পার্টি জোতদার ও প্রজাকৃষক এবং সাধারণভাবে মুসলমানদের চাকরি ও শিক্ষার সুযােগ সৃষ্টির জন্য দায়বদ্ধ ছিল । কোয়ালিশন সরকারের কর্মসূচী নিয়ে আলােচনার সময় কংগ্রেস মুখপত্র শরৎচন্দ্র বসু , ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় ও কিরণশংকর রায় চান যে , রাজবন্দিদের মুক্তির বিষয়টি সরকারের কাছে অগ্রাধিকার পাক এবং প্রয়ােজনে এই ইস্যুতে মন্ত্রীসভাকে পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে । কৃষক প্রজা পার্টিরও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে রাজবন্দিদের মুক্তির বিষয়টি ছিল ঠিকই ; কিন্তু তাদের কাছে কৃষকের কল্যাণই ছিল বেশি গুরুত্বপ...