পোস্টগুলি

বাংলাভাগ - দেশত্যাগ ও দলিত সমাজ

  বাংলাভাগ- দেশত্যাগ ও দলিত সমাজ সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস বিচার বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ মন্ডল বাংলার দলিত সমাজের মধ্যে আজ অবধি সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা, তাঁর ধারেকাছে আর কেউ নেই। আবার খোঁজ নিয়ে এও জানা যায় যে, তিনি দলিত সমাজের এক বড়ো অংশের দ্বারা আজও নিন্দিত। এই নিন্দার কারণ হলো- এইসব মানুষেরা যোগেন্দ্রনাথকে দেশভাগ এবং বাংলাভাগের জন্য মূল কারিগর বলে জানে। তাদের উদ্বাস্তু জীবনের কষ্টের জন্য তাঁকে খলনায়ক বলে জানে; কিন্তু এই ধারণা কি ঠিক, না বেঠিক? সমসাময়িক কালের আরেকজন দলিত নেতা হলেন মতুয়াগুরু প্রমথরঞ্জন ঠাকুর। তিনি বরাবর যোগেন্দ্রনাথের বিপরীত মেরুতে ছিলেন। ঠাকুরমশায় ছিলেন হিন্দু মহাসভা ও কংগ্রেসের সাথে ; কাছাকাছি ও পাশাপাশি। দেশভাগের সাথে সাথে ঠাকুরমশায় দেশত্যাগ করেন এবং দলিতদের, বিশেষ করে মতুয়া ও নমশূদ্রদের দেশত্যাগ করার জন্য উৎসাহিত করেন। যোগেন্দ্রনাথ নিজে মাতৃভূমি আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করেন এবং দলিতদের দেশত্যাগ না করার পরামর্শ দেন। তখনকার দিনে এই দুজন নেতারই পূর্ববঙ্গের দলিত সমাজের মানুষের উপর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে শত শত কৃষক বিদ্রোহে কৃষক হিসাবে দ...

রবীন্দ্রনাথ কি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার বিরুদ্ধে ছিলেন?

  অনেক দিন আগে কোন এক জনসভায় দলিত মুসলিমদের সমস্যা নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। অনুমান ১০/১২ বছর আগের ঘটনা হতে পারে। আমার অজান্তে সেই কথাগুলি রেকর্ড করে কেউ ইউ টিউবে সেটা পোস্ট করেন। আবার সেই কথাগুলির একটা ছোট অংশ, যেখানে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকা নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম, সেটুকু আলাদা করে প্রচার করা হচ্ছে। মনে হয় বাংলাদেশে এই রেকর্ড বেশি প্রচারিত হয়েছে। ওই জনসভায় আমার মূল বক্তব্য ছিল বাংলার উচ্চবর্ন হিন্দু সমাজের বর্ন ধর্ম মানসিকতার ব্যাখ্যা — কীভাবে তারা দলিত ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈষম্য করেন, তাদের ঘৃনা করেন এবং তাদের প্রগতির পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করেন ইত্যাদি। আমি সেই প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতার কথা বলেছিলাম। সাম্প্রতিককালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপিত হয়েছে, আমার বক্তব্য নিয়েও কোন কোন ক্ষেত্রে বিতর্ক হয়েছে। কেউ কেউ আমাকে ফোন করেছেন, আর ফেসবুকে ঝগড়া হয়েছে। আমি মনে করি যে, ওই জনসভায় আমি বেঠিক কিছু বলিনি। একশ' বছরের রাজনীতি নামে একটি বই লিখেছেন আবুল আসাদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয...

আসুন কিছু করি

বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে, পোস্টটির 'আরো পড়ুন' এ ক্লিক করে ডিটেলসে গেলে ডাউনলোড লিংক পাবেন।  আসুন কিছু করি ইবুক ডাউনলোড     

বঙ্গভঙ্গ - দেশত্যাগ - দাঙ্গা

বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে, পোস্টটির 'আরো পড়ুন' এ ক্লিক করে ডিটেলসে গেলে ডাউনলোড লিংক পাবেন।    বঙ্গভঙ্গ-দেশত্যাগ-দাঙ্গা' ই-বুক ডাউনলোড  

দ্বৈপায়ন সেনের নেওয়া সাক্ষাৎকার

  Sukritibabu, Amake please janaben anubad ta apnar ichhar mata hoyeche ki na. Dhanyabad. Dwaipayan - Question 1 Even though the CAA and NRC have been widely acknowledged as discriminatory towards Muslims in particular, there is an assumption that it will serve the interests of Hindus. Do you think this is true with respect to Dalits in West Bengal? Why, or why not? It's commonly known that the BJP is a party driven by Hindutva ideology. In the Indian context, this means that the party is naturally anti-Muslim. But I'd like to begin this discussion with a reminder that the party is in equal measure anti-Dalit Hindu. If we forget this fact, then any discussion of CAA and NRC will be misleading, as in fact we can already see. We must not forget how the BJP's wishes to deceive Dalit Hindus by their calls for Hindu unity.  The CAA 2019 is a useless and innocuous law. It is useless in the sense that it cannot give Indian citizenship to immigrants resident in India illegally. Esp...

বর্ন কীভাবে বংশানুক্রমিক হল?

  একটা বিতর্ক প্রায়ই হয়। তাহলো--- হিন্দুধর্মের বর্ণ বিভাজন নাকি প্রথমে গুণ ও কর্ম ভেদে হয়, পরে তা জন্মভিত্তিক হয়। এই প্রশ্নে আম্বেদকর কিছু কথা লিখেছেন, তাহলো :-- বেদে কিছু কথা আছে ঠিকই, তবে নির্দিষ্টভাবে মনুস্মৃতিতে  জাত-বর্ণ সৃষ্টির কথা বলা হয়। সময়কাল ১৭০ - ১৫০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ। এই সময়ে মনুসংহিতা নামের এই শাস্ত্র বা আইন গ্রন্থ লেখেন সুমতি ভার্গব নামে একজন ব্রাহ্মণ। প্রাচীন ইতিহাসে মনু একজন মর্যাদাপূর্ণ চরিত্র ছিলেন। তাই মনুসংহিতার লেখক হিসাবে তার নাম ব্যবহার করা হয়, যাতে এই শাস্ত্রের নির্দেশসমূহ জনপ্রিয় ও গ্রাহ্য হয়। আরো বলা হয় যে, এই শাস্ত্রের বিষয়সমূহ হলো আসলে দৈব বানী। এটা ছিল ব্যাকডেট দেবার কৌশল। পৃথিবীতে প্রথম ব্রাহ্মণ রাজা হলেন পুষ্যমিত্র শূঙগো ও তাদের বংশ। তিনি মৌর্য সম্রাটকে খুন করে সিংহাসন দখল করেন। এটা খ্রিস্টপূর্ব ১৮৫ সময়কালের ঘটনা। এই রাজহত্যার কাজকে সে সময়ের মানুষেরা মেনে নিতে চান নি। কারণ তা আর্য ও অনার্য উভয় আইন বিরুদ্ধ ছিল। আর্য আইনে ছিল -- ১)  রাজত্বের অধিকার একমাত্র ক্ষত্রিয়ের। ব্রাহ্মণ রাজা হতে পারেন না। ২) কোনো ব্রাহ্মণ অস্ত্র ধারণের পেশা গ্রহণ কর...